মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুর সীমান্তে ৩৫ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার,আটক-৩  আস্থাহীনতায় টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দায়িত্ব পালনরত এনজিও হাসপাতাল গুলো! উখিয়ায় পৃথক অভিযানে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল পাচারকারী চকরিয়ায় বাসে র‌্যাবের তল্লাশি: ৯ হাজার ৯০০ ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সালনায় র‌্যাবের চেকপোস্টে ৫৭ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ে সমতলের চা বাগান দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিমানবন্দরের স্বর্ণ ছিনতাই: শুধু ছিনতাই, নাকি শুল্ক ফাঁকির বড় চক্র? তদন্তে নতুন প্রশ্ন বকশীগঞ্জে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  দিনাজপুরের ‎বিরামপুরে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ৫০ বছর পর টঙ্গীর মাজার বস্তিতে উচ্ছেদ অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ স্থাপনা

সাভারে শতবর্ষী বৃদ্ধাকে নির্যাতন ও শেষ সম্বল কেরে নিল, অভিযোগ স্বজনদের রিরুদ্ধে।

Reporter Name / ৩৭২ Time View
Update : শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৪, ১১:২৩ অপরাহ্ন

স্বপনঃ তাহেলা খাতুনকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। এসময় ওই বৃদ্ধার নির্যাতনের কথা জানতে পেরে বড় ছেলে প্রতিরোধ করলে অভিযুক্তদের হাতে মারধরের শিকার হন বলেও অভিযোগ করেন। তবে অভিযুক্তদের দাবি, মিথ্যা তথ্য দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

শুক্রবার দুপুরে ওই বৃদ্ধা এবং তার মেয়ে  ফাতেমা বেগম উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে বিচারের দাবি করেন।

আহতরা হলেন -বৃদ্ধা তাহেলা খাতুন (১২৫) ও তার বড় ছেলে খলিলুর রহমান (৭৫)।
অপরদিকে অভিযুক্তরা হলেন – সাভার পৌর এলাকার  উলাইল মহল্লার আবু তাহেরের ছেলে নূর নবী (৩০), শাহীন (২৮), ও মাসুদ (২২) এবং নূর নবীর স্ত্রী আকলিমা (২৫)।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আহত বৃদ্ধা তাহেলা খাতুন ছোট ছেলের আবু তাহেরের সংসারে থাকতেন । সেই সুবাদে বৃদ্ধার নিজের শেষ অবলম্বন তিন শতাংশ জমি সেই ছেলের ঘরের নাতিদের নামে লিখে দেন। কিন্তু নিজের সম্পত্তি দিয়েও জীবনের শেষ মুহূর্তের অবহেলা ও নির্যাতনের চিহ্ন দেখা যায় বৃদ্ধার কপালে।

আহত বৃদ্ধা তালেহা খাতুন বলেন, এখন আমি বিছানা থেকে উঠতে পারি না। বিছানাতেই সব কিছু। আমাকে দেখাশুনার জন্য, আমার জমি নাতিদের নামে লিখে দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাকে মারধর করেন।

নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে বড় ছেলে খলিলুর রহমান বলেন, আমার মা’কে কৌশলে তারা নিয়ে রেখেছিল।  সম্পত্তি নেওয়ার পর ঠিক মতো খাবার দেয় না। চুলের মুঠি ধরে ঘরের দেয়ালের সাথে কপালে ধাক্কা দেয়। এতে আমার মা’র কপাল ফুলে রক্তের জমাট বাঁধে। পরে আমি গিয়ে মারধরের চিহ্ন দেখে প্রতিবাদ করলে আমাকেও মারধর করে বলে জানান তিনি।

অপরদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে নূর নবী বলেন, আমার পরিবারের সবাই আমরা দাদীকে দেখাশুনা করতাম। তার সেবা যত্নের কোন ত্রুটি করা হয়নি। আমাদের বাসা থেকে ঝগড়া করে দাদিকে নিয়ে গেছে। দাদীর বয়স হয়েছে, এখন সে যার কাছে থাকে তাদের পক্ষেই কথা বলে। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Durnity Report tv

ঢাকা বিমানবন্দর রেল স্টেশনে রাজা মিয়ার চায়ের আড্ডায় সবাইকে আমন্ত্রণ

Theme Created By ThemesDealer.Com