মোঃ উজ্জল হোসেন শান্তঃ মাগুরা শালিখা উপজেলার ৬ নং বুনাগাতি ইউনিয়ন পরিষদে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে দুর্যোগ, দুঃস্থ, অতিদরিদ্র ব্যক্তি/ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি হারে বিনামূল্যে ভিজিএফ (চাল) বিতরণ কর্মসূচিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাউল বিতরণের অনিয়মের অভিযোগের খবর পাওয়া যায়। শনিবার ১৪ মার্চ দুপুর ২.৩৯ টার সময় ১০ কেজি চাউল বিতরণ করার কালে কার্ডধারী এক বয়স্ক ব্যক্তির বস্তায় চাউল নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে সাংবাদিকদের নজরে আকৃষ্ট হয়। সন্দেহের কারণে উক্ত চাউল পুনরায় ওজন দেওয়ার জন্য ভিতরে রক্ষিত ওয়েট মেশিন এবং একটি স্টিলের বালতি যাহার ওজন অনুমান প্রায় ২.৫০ থেকে ৩ কেজি হবে। স্টীলের বালতি সহ চাউল ১০ কেজি ২০০ গ্রাম হওয়ায় আরও সন্দেহ বেড়ে যায়। তখন বালতি বাদে চাউল মাপলে ৭ কেজি ৮০০ গ্রাম চাউল হইলে বুনাগাতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক অঞ্জনা রানী ঘোষ যিনি ট্যাগ অফিসার দায়িত্ব পালন কালে তার কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক উগ্র আচরণ করিয়া উচ্চ ভাষা ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিতে থাকে। উক্ত নির্দেশ পাওয়ার সাথে সাথে বুনাগাতি ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সদস্য জিয়া, মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম মাগুরা জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ফারুক আহমেদ ও মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা সহ-সভাপতি সাহেব আলীকে সহ দুই জন পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে উক্ত রুপ অসৎ আচরণের সময় ভিডিও চলাকালীন উদ্ধুদ্ধ অসৎ আচরণ করিয়া শরীরে ধাক্কা ও আঘাত দিয়ে পরিষদ ভবন থেকে বের করিয়া দেয়। তাৎক্ষণিক ভাবে বিষয়টি শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বনি আমিন কে অবহিত করলে তিনিও উদ্ভট কথাবাতা বলিয়া প্রশাসক অঞ্জনা রাণী ঘোষ ও মেম্বার জিয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়ে চাঁদাবাজের কটুক্তি প্রকাশ করে। উক্ত ফোন কলটির তাৎক্ষণিক ভাবে রেকর্ড করা হয়েছে। এভাবে অসহায় ও দুস্থদের পবিত্র ঈদুল ফিতরের ভিজিএফ এর ১০ কেজি চাউলের প্রতি কার্ডে ২ থেকে ২.৫০ কেজি চুরি করার সাথে একমত বলিয়া প্রতিয়মান হয়। বুনাগাতি ইউনিয়ন পরিষদের চাউল বিতরণ কালে বিভিন্ন লোকজনের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায় প্রকৃত গরীবদের চাউল ঠিকমতো তালিকা না করিয়া পরিষদের মেম্বার এবং দলীয় কিছু প্রভাবশালী নিজস্ব লোকজনের নামে উক্ত কার্ড প্রদান করে অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে। এই বিষয়ে বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম মাগুরা জেলা কমিটির সিনিয়র সদস্য সাংবাদিক জিআর এম তারিক লোকজনের কার্ডের চাউল ওজনে কম দেখিয়া দ্রুত মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়ন কে অবহিত করেন। উক্ত ঘটনার বিষয়ে ঘটনা স্থলের পরিস্থিতি ভিডিও সহ মাগুরা জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ কে তার ওয়াটসএ্যাপে অবহিত করা হয় এবং বার বার ফোন দিয়ে কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।
উক্ত বিষয়ে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনতে মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি ও মাগুরা জেলা কমিটি, মাগুরা জেলা প্রশাসনকে দ্রুত সাংবাদিক নির্যাতনের ব্যাপারে শাস্তির আওতায় আনতে আহবান জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে।
মাগুরা জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ও সচিব মহোদয়কে শালিখা ইউএনও কে প্রত্যাহার ও পল্লী দরিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা অঞ্জনা রাণী ঘোষের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক জড়িত বুনাগাতি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার জিয়াকে দ্রুত গ্রেফতার করিয়া আইনের আওতায় আনার জন্য আহবান জানানো হচ্ছে।
ইতিপূর্বে এই বুনাগাতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক অঞ্জনা রানী ঘোষ ভাবে ভিজিডি কার্ডের দুই মাসের চাউল ৬০ কেজি চাউলের পরিবর্তে ৫০ কেজি চাউলের ভিডিও নিউজ ও বিভিন্ন পত্রিকায় ভাইরাল হওয়ার কারণে সাংবাদিকদের উপর আক্রোশ বেড়ে যায়।
সহযোগিতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়, ঢাকা। বাস্তবায়নে ৬নং বুনাগাতী ইউনিয়ন পরিষদ শালিখা মাগুরা। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলা প্রশাসন শালিখা মাগুরা।
উক্ত ঘটনার সময় তাৎক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক স্ট্যাটাস সংবাদের নমুনা প্রকাশের চিত্র ছিলো নিম্ন এই লেখা
মাগুরা শালিখা উপজেলার বুনাগাতী ইউনিয়নের পবিএ ঈদুল ফিতরের ভিজিএফ চাউল বিতরন অনিয়মের খবর পেয়ে সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে এক লোকের চাউল ওয়েট মেশিনে উঠানো হলে স্টীলের বালতি সহ ১০ কেজি হয়। তখন সেই বস্তা থেকে চাউল নামিয়ে আবার বস্তায় ভরে এই কথা বললে ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জিয়া সাংবাদিকদের শরীরে ধাক্কা দিয়ে অসৎ আচারন করে যার স্বাক্ষী উপস্থিত লোকজন। বুনাগাতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক অঞ্জনা রাণী চাউল মাপা দেখতে না দেওয়ার তসহ বাহনা করেন।
ঘটনার এই বিষয়ে শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন কে জানালে তিনি সাংবাদিককে চাঁদাবাজ বলেছেন। তাকে অবগত করা হয় জিয়া মেম্বার দূঃখ জনক শরীরে ধাক্কা ও আঘাত দিয়েছেন দুই জন সাংবাদিককে তখন তিনি বললেন আপনারা চাঁদবাজি করতে গিয়েছেন।
মাগুরা জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ কে চাউল কম দেওয়া নিয়ে জানানোর জন্য পেশাগত সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক উগ্র আচরণের বিষয় টা জানানোর জন্য বেশ কয়েক বার ফোন দেওয়া হয়েছে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।