শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline
শ্রীপুরে অটোরিকশা চালককে গলা কে.টে হ.ত্যা করে দুবৃত্তরা; লা.শ ফেলে রাখে গজারী বনে রাজধানীতে হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক: মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা টঙ্গীতে জুুতার কারখানায় ভয়াবহ আগুন যুবদলের আগামীর নেতৃত্বে কারা? আলোচনায় আকরামুল হাসান মিন্টুসহ কয়েকজন নেতা দৌলতপুর এলাকার কিশোর আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ নিখোঁজ, থানায় জিডি উত্তরায় আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট উদ্বোধন নিরাপদ সড়ক ও যানজট নিরসনে ডিএমপির নতুন উদ্যোগ রাজউকের অনুমোদন থাকলেও মানছেনা রাজউকের কোন নিয়ম, কাওলার নয়া বাড়িতে চলছে বহুতল ভবন নির্মাণ  সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসা মৌয়ালদের বর্ণনায় স্থানীয় ইউপি সদস‍্যের নাম গোপালগঞ্জে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ খুলনা মহানগরীতে ওএমএস এর চাল-আটা বিতরণে সন্তুষ্ট ভুক্তভোগীরা

খুলনা মহানগরীতে ওএমএস চাল-আটা বিতরণে স্বচ্ছতা ফিরেছে নতুন মনিটরিং কর্মকর্তাদের তদারকিতে সন্তুষ্ট ডিলার ও ভুক্তভোগীরা

Reporter Name / ৩৯ Time View
Update : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ৮:২৬ পূর্বাহ্ন

নঈমুল আলমঃ খুলনা মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমে চাল ও আটা বিতরণে নতুন মনিটরিং খাদ্য কর্মকর্তাদের আগমনে স্বস্তি ফিরেছে। ডিলার ও ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও নিয়মশৃঙ্খলা নিশ্চিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

‎বর্তমানে মহানগর ওএমএস কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন—শেখ মনিরুল হাসান (সহকারী রসায়নবিদ), আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়, খুলনা;মোঃ আশরাফুজ্জামান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রূপসা, খুলনা এবং অনিন্দ্য কুমার দাশ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বটিয়াঘাটা, খুলনা।

‎খুলনা মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডে ডিলারের মাধ্যমে এবং ৪টি ওয়ার্ডে খাদ্য বিভাগের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ওএমএস কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডে ১ টন চাল ও ১ টন আটা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রমের আওতায় প্রতিদিন প্রায় ২০০ জন নারী-পুরুষ ভুক্তভোগী জনপ্রতি ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা ক্রয় করতে পারছেন।গত ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত দুই থেকে তিন মাসে মহানগর ওএমএস কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত মনিটরিং কর্মকর্তাদের মধ্যে টিম লিডারের দায়িত্বে থাকা খাদ্য পরিদর্শক আবু বক্কার সিদ্দিকী বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ে চাপ সৃষ্টি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘুষ না দিলে বরাদ্দকৃত পণ্যের ডিও না দেওয়া কিংবা তদারকি কর্মকর্তাদের ডিউটি থেকে বিরত রাখার হুমকিও দেওয়া হতো। এতে ডিলার ও ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ভয়-ভীতির মধ্যে ছিলেন।ভুক্তভোগী আসলাম, সোলেমান, রঞ্জন কুমার, আসমা খাতুন ও জোলেখা বলেন,বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়মিত পয়েন্ট পরিদর্শন করছেন এবং আমাদের কাছে জানতে চাচ্ছেন ঠিকমতো চাল-আটা পাচ্ছি কিনা। এখন আমরা নির্ধারিত দামে ভালো মানের চাল-আটা কিনতে পারছি, এতে আমরা খুবই খুশি।”চালের গুণগত মান সম্পর্কে জানতে চাইলে ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমানে গুদাম থেকে সরবরাহকৃত চালের মান আগের তুলনায় অনেক ভালো।মহানগরীর ওএমএস ডিলাররা জানান, কোনো কোনো পয়েন্টে একসঙ্গে ৩ থেকে ৪ শতাধিক ভুক্তভোগী উপস্থিত হলে সকলের সম্মতিক্রমে পরিস্থিতি সামাল দিতে ৩–৪ কেজি করে চাল ও আটা বিতরণ করা হয়।তথ্য অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, সব ডিলার পয়েন্টে ভুক্তভোগীরা সুশৃঙ্খলভাবে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চাল ও আটা সংগ্রহ করছেন।এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ তানভীর হোসেন বলেন,

‎“মনিটরিং কর্মকর্তা ও প্রতিটি ওয়ার্ডের তদারকি কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া আছে—প্রতিদিন বরাদ্দকৃত দুই টন চাল-আটা বুঝে নিয়ে পণ্য বিতরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পয়েন্টে উপস্থিত থাকতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত পণ্য শেষ না হয়, ততক্ষণ তদারকি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Durnity Report tv

ঢাকা বিমানবন্দর রেল স্টেশনে রাজা মিয়ার চায়ের আড্ডায় সবাইকে আমন্ত্রণ

Theme Created By ThemesDealer.Com