মেট্রো প্রতিনিধিঃ খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারের ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কর্মসূচির আওতায় স্বল্পমূল্যে চাল-আটা বিতরণ সুষ্ঠুভাবে চলমান রয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর (বুধবার) থেকে আজ ২১ সেপ্টেম্বর (রবিবার) পর্যন্ত বানরগাতি বাজার ও বসুপাড়া এলাকায় শত শত অসহায় নারী-পুরুষ নিয়মিতভাবে চাল-আটা সংগ্রহ করছেন।উল্লেখিত দুই ওয়ার্ডে ওএমএস-এর ডিলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন 🔹 মেসার্স আসাদ স্টোর (প্রোঃ মোঃ আসাদুজ্জামান শেখ)🔹মেসার্স মঞ্জুয়ারা এন্টারপ্রাইজ (প্রোঃ মঞ্জুয়ারা লাভলী)ডিলাররা জানান, প্রতিদিন সকাল থেকেই দরিদ্র জনগণ লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে নির্ধারিত মূল্যে চাল-আটা ক্রয় করছেন। একাধিক ক্রেতা জানান, বাজারের তুলনায় এখানে কম দামে পণ্য কিনতে পেরে তাঁরা কিছুটা স্বস্তিতে আছেন।
এর আগে ৪, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে একই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডিলাররা বলেন, ২ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মমতাজ পারভীনের দিকনির্দেশনায় আমরা নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি।২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদারকি কর্মকর্তা এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের খাদ্য পরিদর্শক মমতাজ পারভীন জানান,প্রতিদিন প্রতিটি পয়েন্টে ১ টন চাল ও ১ টন আটা বরাদ্দ রয়েছে। নির্ধারিত মূল্যে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা ও আটা ২৪ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা নিতে পারছেন।তিনি আরও বলেন, যখন ভিড় বাড়ে (৩০০-৩৫০ জন), তখন সবার পরামর্শে মাথাপিছু ৩ কেজি চাল ও ৪ কেজি আটা বিক্রি করা হয়—যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ এই সুবিধা পেতে পারেন।”
অপপ্রচারের অভিযোগ
তদারকি কর্মকর্তা মমতাজ পারভীন দুঃখ প্রকাশ করে বলেন,সুষ্ঠু বিতরণ কার্যক্রম চলাকালীন একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, আমি প্রতিদিন ডিলারদের কাছ থেকে ঘুষ নিই—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি কখনো কোনো ডিলার পয়েন্ট থেকে অর্থ নেইনি এবং এর কোনো প্রমাণও নেই।”তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের নির্দেশনায় ৩১টি ওয়ার্ডে নিরবচ্ছিন্ন মনিটরিংয়ের জন্য দুজন কর্মকর্তা দায়িত্বে রয়েছেন—আবু বকর ছিদ্দিক এবং তরুণ বালা।মমতাজ পারভীনের বার্তা
আমার বা আমার পরিবারের কেউ কখনো কোনো এমপি বা মন্ত্রীর সাথে সম্পৃক্ত ছিল না। দায়িত্বে থেকে সততার সঙ্গে কাজ করাই আমার অঙ্গীকার।”