শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
Headline
শ্রীপুরে অটোরিকশা চালককে গলা কে.টে হ.ত্যা করে দুবৃত্তরা; লা.শ ফেলে রাখে গজারী বনে রাজধানীতে হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক: মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা টঙ্গীতে জুুতার কারখানায় ভয়াবহ আগুন যুবদলের আগামীর নেতৃত্বে কারা? আলোচনায় আকরামুল হাসান মিন্টুসহ কয়েকজন নেতা দৌলতপুর এলাকার কিশোর আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ নিখোঁজ, থানায় জিডি উত্তরায় আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট উদ্বোধন নিরাপদ সড়ক ও যানজট নিরসনে ডিএমপির নতুন উদ্যোগ রাজউকের অনুমোদন থাকলেও মানছেনা রাজউকের কোন নিয়ম, কাওলার নয়া বাড়িতে চলছে বহুতল ভবন নির্মাণ  সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসা মৌয়ালদের বর্ণনায় স্থানীয় ইউপি সদস‍্যের নাম গোপালগঞ্জে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ খুলনা মহানগরীতে ওএমএস এর চাল-আটা বিতরণে সন্তুষ্ট ভুক্তভোগীরা

নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বাড়ছে দুর্ভোগ, উন্নয়ন নয়—বিপদের শঙ্কা দেখছেন ঠিকাদার ও জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ৮১ Time View
Update : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩৪ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ২০২৫ সালের নতুন টেন্ডার পদ্ধতি জনসাধারণের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট অনেক ঠিকাদার ও সচেতন নাগরিকরা। তাদের দাবি, বর্তমান প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত ছাড়ের প্রতিযোগিতা উন্নয়নের স্থায়িত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

একাধিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঠিকাদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০৮ সালের টেন্ডার নীতিমালায় সর্বোচ্চ ১০% ছাড়ের সুযোগ থাকলেও ২০২৫ সালের প্রক্রিয়ায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০%-এ। ফলে বড় বড় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাট্রিক্স পদ্ধতির সুবিধা নিয়ে সহজেই কাজ আদায় করে নিচ্ছে, তবে পরবর্তীতে কম বাজেটে কাজ শেষ করতে গিয়ে ব্যয় সাশ্রয়ের নামে জনসাধারণের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

তারা আরও জানান, অতীতেও এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে ২০% কমে কাজ নিয়ে অনেক ঠিকাদার প্রকল্প অসমাপ্ত রেখেই চলে গেছে। তার একটি উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে মোহাম্মদপুর বুড়িগঙ্গা বেঁড়িবাঁধ সংলগ্ন সিটি গার্ডেন বিল্ডিং প্রকল্প। যার কাজ শুরু হয়েছিল প্রায় এক দশক আগে, কিন্তু আজও তা জনবসতির উপযোগী হয়নি।

এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মকর্তার বক্তব্য, অতিরিক্ত ছাড়ে দেওয়া কাজের অনেকগুলো শেষ না করেই ফেলে রাখা হয়েছে। এমনকি অনেক ভবন আজও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ঠিকাদার কাজের মান বজায় না রেখে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করেছে বা প্রকল্প সম্পূর্ণ না করেই চুক্তি ভঙ্গ করেছে।

বাজারমূল্য ও দ্রব্যের দামে ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফলে অনেক ক্ষেত্রেই কম দামে টেন্ডার পাওয়া ঠিকাদাররা পরবর্তীতে সেই দামে কাজ শেষ করতে পারে না। এতে তারা দুইটি পথ নেয়— হয় কাজের মান খারাপ করে, না হয় মাঝপথে কাজ ফেলে চলে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উন্নয়নের স্বার্থে দরপত্র নীতিমালা সংশোধন সময়োপযোগী হলেও এর প্রয়োগে বাস্তবতা বিবেচনা করা জরুরি। নয়তো কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠান নামমাত্র মূল্যে কাজ হাতে নিয়ে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঁতাত করে গুণগতমানহীন কাজ করছে।

ফলে দেখা যাচ্ছে, রাস্তা-ঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ভবন, সেতু—সবই দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় দুর্বল নির্মাণের কারণে ভয়াবহ দুর্ঘটনাও ঘটছে।

জনসাধারণ ও সচেতন ঠিকাদারদের মত, ২০০৮ সালের প্রজ্ঞাপনেই ছিল ভারসাম্য ও বাস্তবতা। তাই তারা পুরনো নীতিমালার পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Durnity Report tv

ঢাকা বিমানবন্দর রেল স্টেশনে রাজা মিয়ার চায়ের আড্ডায় সবাইকে আমন্ত্রণ

Theme Created By ThemesDealer.Com