মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুর সীমান্তে ৩৫ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার,আটক-৩  আস্থাহীনতায় টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দায়িত্ব পালনরত এনজিও হাসপাতাল গুলো! উখিয়ায় পৃথক অভিযানে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল পাচারকারী চকরিয়ায় বাসে র‌্যাবের তল্লাশি: ৯ হাজার ৯০০ ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সালনায় র‌্যাবের চেকপোস্টে ৫৭ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ে সমতলের চা বাগান দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিমানবন্দরের স্বর্ণ ছিনতাই: শুধু ছিনতাই, নাকি শুল্ক ফাঁকির বড় চক্র? তদন্তে নতুন প্রশ্ন বকশীগঞ্জে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  দিনাজপুরের ‎বিরামপুরে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ৫০ বছর পর টঙ্গীর মাজার বস্তিতে উচ্ছেদ অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ স্থাপনা

সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলায় মৃত্যুদণ্ড ১০ জনের 

Reporter Name / ৪১১ Time View
Update : সোমবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২০, ৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ 

রাজধানীর পল্টন ময়দানে ১৯ বছর আগে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সমাবেশে বোমা হামলা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত। চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায়ে ১০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। আর খালাস পেয়েছেন দুজন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দিয়েছে আদালত।

সোমবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল আলম এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতে চার আসামি উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন মুফতি মাঈন উদ্দিন শেখ, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মহিবুল মুত্তাকিন, আমিনুল মুরসালিন, মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমান ও নুর ইসলাম।

আর খালাস পেয়েছেন মশিউর রহমান ও রফিকুল ইসলাম মিরাজ।

চাঞ্চল্যকর এই মামলার ১৩ আসামির মধ্যে মুফতি আবদুল হান্নানের ফাঁসি আগেই কার্যকর হয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশনার হত্যাচেষ্টা মামলায়। এজন্য তাকে এই মামলা থেকে আগেই অব্যাহতি দেয় আদালত।

আসামিদের মধ্যে শওকত ওসমান, সাব্বির আহমেদ, আরিফ হাসান সুমন ও মঈন উদ্দিন কারাগারে আছেন। কারাগারে থাকা আসামিরা সবাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি এবং ওই মামলায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে।

২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি সিপিবির সমাবেশে দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় পাঁচজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন।

নিহতরা হলেন- খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার সিপিবি নেতা হিমাংশু মণ্ডল, খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার সিপিবি নেতা ও দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির শ্রমিক নেতা আব্দুল মজিদ, ঢাকার ডেমরা থানার লতিফ বাওয়ানি জুটমিলের শ্রমিক নেতা আবুল হাসেম ও মাদারীপুরের মুক্তার হোসেন, খুলনার বিএল কলেজের ছাত্র ইউনিয়ন নেতা বিপ্রদাস।

ওই ঘটনায় সিপিবির তৎকালীন সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলাটিতে ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে আসামিদের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি মর্মে তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। যা আদালত কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পর তদন্ত থেমে যায়।

এরপর ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ও ২০০৫ সালের আগস্টে দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা হয়। পরবর্তী সময়ে ওইসব ঘটনায় মামলায় আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে এ মামলায় জঙ্গিদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ আসে। এরপরই ২০০৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পুলিশ মামলটি পুনঃতদন্তের আবেদন করেন। একই বছর ২৯ ডিসেম্বর আদালত পুনঃতদন্তের আবেদন মঞ্জুর করেন।

পুনঃতদন্তে ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর আদালতে ১৩ আসামির বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর মৃনাল কান্তি সাহা। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩০ জনকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। পরের বছর ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময় আদালত মামলার ১০৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

একই ঘটনায় এই আসামিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনের মামলাটি একই আদালতে বর্তমানে সাক্ষ্য গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Durnity Report tv

ঢাকা বিমানবন্দর রেল স্টেশনে রাজা মিয়ার চায়ের আড্ডায় সবাইকে আমন্ত্রণ

Theme Created By ThemesDealer.Com