নঈমুল আলমঃ খুলনা মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমে চাল ও আটা বিতরণে ভুক্তভোগীরা ডিলাদের স্বচ্ছতা ও খাদ্য কর্মকর্তাদের নিয়মশৃঙ্খলা নিশ্চিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বর্তমানে মহানগর ওএমএস কার্যক্রমে তদারকি দায়িত্বে রয়েছেন—শেখ মনিরুল হাসান (সহকারী রসায়নবিদ), আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়, খুলনা;মোঃ আশরাফুজ্জামান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রূপসা, খুলনা এবং অনিন্দ্য কুমার দাশ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বটিয়াঘাটা, খুলনা।
খুলনা মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডে ১ টন চাল ও ১ টন আটা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রমের আওতায় প্রতিদিন প্রায় ২০০ জন নারী-পুরুষ ভুক্তভোগী জনপ্রতি ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা ক্রয় করতে পারছেন।১০মে রবিবার তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, মহানগর ওএমএস কার্যক্রমে ভুক্তভোগী বাবুল, আক্কাস , ডেভিড, অসীম কুমার, টিনা খাতুন ও জোলেখা বলেন,বর্তমানে ডিলার পয়েন্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়মিত ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন করছেন এবং আমাদের কাছে জানতে চাচ্ছেন ঠিকমতো চাল-আটা পাচ্ছি কিনা। এখন আমরা নির্ধারিত দামে ভালো মানের চাল-আটা কিনতে পারছি, এতে আমরা খুবই খুশি।”চালের গুণগত মান সম্পর্কে জানতে চাইলে ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমানে গুদাম থেকে সরবরাহকৃত চালের মান আগের তুলনায় অনেক ভালো।মহানগরীর ওএমএস এর ডিলাররা জানান, পয়েন্টে একসঙ্গে ৩ থেকে ৪ শতাধিক ভুক্তভোগী উপস্থিত হলে সকলের সম্মতিক্রমে পরিস্থিতি সামাল দিতে ৩–৪ কেজি করে চাল ও আটা বিতরণ করা হয়।তথ্য অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, সব ডিলার পয়েন্টে ভুক্তভোগীরা সুশৃঙ্খলভাবে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চাল ও আটা সংগ্রহ করছেন।এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ তানভীর হোসেন বলেন,
“মনিটরিং কর্মকর্তা ও প্রতিটি ওয়ার্ডের তদারকি কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া আছে—প্রতিদিন বরাদ্দকৃত দুই টন চাল-আটা বুঝে নিয়ে পণ্য বিতরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পয়েন্টে উপস্থিত থাকতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত পণ্য শেষ না হয়, ততক্ষণ তদারকি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।”