২৩ লাখ টাকার প্রতারানা মামলায় ১ বছর ৩ মাস সাজা দিয়াছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আদালত ৬
চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানার ৯ নং গন্ডামারা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড,সাং- পূর্ব বরঘোন, সাবেক ইউ পি মেম্বার আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী (বাদশা), পিতা-মৃত্ মোখলেছুর রহমান চৌধুরী, কে ,২৩ লাখ টাকার প্রতারানা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় ১ বছর ৩ মাসের সাজা দিয়াছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে এম,শামীম চৌধুরী বাদি হয়ে,২০২২ সালে দায়ের করা আরো একটি চেকের মামলা নং-ST-৫০৬/৬৮৪৩/২৩ইং চলমান রয়েছে বিজ্ঞ জুগ্ন মহানগর দায়রা জজ চট্টগ্রাম আদালত(৩)প্রতারকআনোয়ারুলইসলাম চৌধুরী২০১৬সালে তাহার নিকটতম আত্মীয়,
সাংবাদিক,এম,শামীম চৌধুরীর কাছ থেকে ব্যবসায়িক লোভ,লালসা,দেখিয়ে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে ৩,০০,০০০/(তিন) লক্ষ (৩০০০০) ত্রিশ টাকা ও তিনশত টাকার ননজুডেশিয়াল লিখিত স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লবন ব্যবসার কথা বলে ২৩,০০,০০০/তেইশ লক্ষ টাকা ধার নেন। কিন্তু দীর্ঘ ০৮ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও তিনি কোন টাকা পরিশোধ করেননি এবং প্রতিনিয়ত প্রতারণার জাল বিছিয়ে প্রতারণা করে আসছেন। ভিকটিম প্রতারক বাদশার কাছে টাকা চাইতে গেলে, টাকা না দিয়ে বরং আরো উল্টাপাল্টা কথা বলেন এবং নিজেকে অনেক প্রভাবশালী বলে দাবী করেন। তবে তিনি এই ভাবে অত্র এলাকার মাঝে বিভিন্ন প্রলোভন ও ব্যাসার লোভ দেখিয়ে এলাকায় অনেক ব্যক্তির কাছ থেকে এধরনের প্রতারনা করে টাকা ধার নিয়ে পরে আর টাকা ফেরৎ দেন্না। টাকা চাইলে মেরে ফেলার হুমকি দেন।
তিনি আর বলেন বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ তিনি নিজে তৈরি করেন। আইনিভাবে তাহাকে কিছুই করতে পারবেনা। এমন কি ,বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কথা ও তিনি গুরুত্ব দেন না? আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী (বাদশার ) বিরুদ্ধে বর্তমানে ০৩ তি লক্ষ ৩০ ত্রিশ হাজার টাকার একটি চেকের সিআর,মামলানং-ST-৫০৬/২২,৬৮৪৩ইং চল মান রয়েছে এবং ২৩ লক্ষ টাকা অপর ২৬০৩/২২-মামলাতে অদ্য ৩০/০৬/২৫ তারিখে বিজ্ঞ আইনজীবী, এ্যাডঃ ইলিয়াস কাজলিলের পরি চালনায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব,এস,এম আলাউদ্দিন মাহমুদ ৬ষষ্ঠ আদালত চট্টগ্রাম,সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে ও চুল ছেঁড়া বিশ্লেষণ করে দোষি প্রমানিত হওয়ায় ১ এক বছর ৩ তিন মাসের সাজা বহাল রেখে চুড়ান্ত রায় ঘোষনা করেন।ইতি পূর্বে আরো জানা যায় গত ২৬/০৬/২৫ইং তারিখে কফিল উদ্দিন পিতাঃ দেলা আহমদ, সাং পূর্ব বড়ঘোনার এক ব্যক্তি, প্রতারক ভিকটিম আনোয়ার ইসলাম চৌধুরীর কাছ থেকে ২ দুই লক্ষ ২০ বিশ হাজার মাটি কাটার টাকা পাবেন বলে বাদি হয়ে অত্র এলাকার সেনাবাহিনীর নিকট অভিযোগ দাখিল করেছে,২নংপাওনাদার মোহাম্মদ ফেছু,৬০,০০০হাজার ২০১৭সালেদেওয়া টাকা গন্ডামারা বাঁশখালী ,মোবা-০১৮২৪৬২৮৫১৫,৩/নংপাওনাদার,মোঃআইয়ুব বাংলাবাজার,গন্ডামারা বাঁশখালী মোবা-০১৮৪৯৩১৭২১২ ৪/নংপাওনাদার,মোহাম্মদ জসিম বাংলাবাজার গন্ডামারা বাঁশখালী, মোবা-০১৮৪০৫২৭৫৮৩৫/নংপাওনাদার,রবি আলম সওদাগর বাঁশখালী,মোবা-০১৮২৪৯৩৯৩৬০,৬নংপাওনাদার,কায়সারসওদাগর বাঁশখালী, মোবা-০১৬৯০১৪৭৫২৮ বাঁশখালী,৭/নংপাওনাদার,ফরহাদ খাটখালি বাজার বড়ঘোনা বাঁশখালী, মোবা-০১৮১৯০৩৮২০৭.৮/নংপাওনাদার,মোঃ হোসাইন বাঁশখালী,মোবা-০১৮১৫৭২৬০৫০,৯ নংপাওনাদার, মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন বাঁশখালী,মোবা-০১৮৩৫৯৬৪১৯৪,১০নংপাওনাদার,মোঃ আতাউল,কাটাখালি বাজার,বড়ঘোনা,গন্ডামারা,বাঁশখালী মোবা-০১৮৯৭৯৪১২৬০,১১/নং পাওনাদার,রশিদ সাওদাগর,কাটখালি বাজার,বড়ঘোনা,গন্ডামারা,বাঁশখালী মোবা-০৮৫১৩৩৩৭৬৭,১২,নং পাওনাদার মিশকাত, মাসিক বেতনের কৃষি প্রজা,সাং বড়ঘোনা গন্ডামারা বাঁশখালী বকেয়া টাকা ৬০০০০/ হাজার মোবা, ০১৬১৩২২৭৭৯৮,১৩ নং পাওনাদার মানিক মাসিক বেতনের কৃষি প্রজা সাং বড়ঘোনা গন্ডামারা বাঁশখালী বকেয়া টাকা ৫০০০০/হাজার মোবা,০১৮৭৬৯৩৯১৯২
উল্লেখিত ভুক্তভোগী গ্রাহক সবাই প্রতারক, আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীর কাছ থেকে টাকা পাবেন।এ সমস্ত লোকদের কাছ থেকে টাকা দার নিয়েছেন কারো ২ বছর কারো ৫ বছর কারো ৪ বছর হয়, কিন্তু সেই কোন টাকা পরিশোধ করেন নাই।