বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম রাব্বানীঃ বরগুনা উপজেলা ৯ নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড পরীরখাল গ্রামে মধ্যরাতে মারামারির ঘটনা কে কেন্দ্র করে এক গাড়ি পুলিশ বরগুনা সদর থানা হইতে ঘটনাস্থলে হাজির হয়।
পুলিশ ঘটনা স্থলে হাজির হওয়ার আগেই উক্ত মারামারি বন্ধ ও স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা যায় পুলিশ ঘটনা স্থলে সংঘর্ষে জড়িত কোন পক্ষকে না পাওয়ায় এক পক্ষের বাড়িতে যায় ও উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের খোঁজ করে বাড়িতে কাউকে না পেয়ে মধ্যরাতে দুই বছরের এক শিশুসহ তাহার মাকে মারধর করে আটক করে নিয়ে বরগুনা থানা হাজতে প্রেরণ করা হয়।
স্থানীয় লোকজনদের কাছে জানা যায় ঘটনাস্থল থেকে নিষ্পাপ শিশু ও মা বিনাকে আটক করার সময় উক্ত ঘটনাস্থলে কোন মহিলা পুলিশ ছিল না, কোন আইনে পুরুষ পুলিশ একজন মহিলাকে ছোট একটা দুই বছরের শিশুকে ঘুম থেকে উঠিয়ে তার মাকে টেনে হিজড়ে পুলিশ বেনে উঠানো হয়েছে।
উক্ত মারামারির ঘটনায় অনুসন্ধান চালিয়ে জানা যায় কয়েক দিন পূর্বে মোঃ ছগির পিতা মৃত মান্নান হাওলাদার কে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে তার তরমুজ খেতের কুঁড়ে ঘরে ইয়াবার ট্যাবলেট রেখে ওই ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে বরগুনা থানায় নিয়ে গিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এ বিষয়ে তদন্ত করতে গেলে আরো জানা যায় যে পূর্ব থেকেই এই জায়গা নিয়ে তাদের কয়েকটা মামলা চলমান আছে মামলায় তাদেরকে হারানোর কৌশল হিসাবে তাকে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে মামলায় জড়ানো হয়।
মৎস্য ব্যবসায়ী মোঃ ছগিরের ছোট ভাই কবির হোসেন জানায় আমাদের তিন ভাইর বাড়িতে দুইটা ভায়ের মৎস খামার আছে যা দিয়ে প্রতিবছর আমাদের লক্ষ টাকা ইনকাম হয়। আরো আমাদের কয়েক বিঘায় তরমুজ চাষ করা হয়।
এতে আমাদের প্রতি বছরের সংসার খরচ চালিয়েও আমরা ব্যাংকে সঞ্চয় টাকা জমা রাখতে পারি। এবং আমার নিজের একটি মুদি দোকানও রয়েছে তা দিয়ে আমরা সুন্দরভাবে সংসার পরিচালনা করতে পারি। আমার বড় ভাই মোঃ মতি বর্তমানে নিজের কয়েকটি গাড়ি দিয়ে রেন্ট এ কারের ব্যবসা পরিচালনা করেন। মেজ ভাই ছগিরকে অন্যায় ভাবে পুলিশকে টাকা পয়সা দিয়ে ম্যানেজ করে দুষ্কৃতিকারীরা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করায়।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী জানায় আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এমন মিথ্যা মামলা দেওয়ায় বড় ভাই ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের সোর্স ও ডিসটিক ডাকাত দলের সদস্য মোহাম্মদ জলিল বরগুনা জেলার দুর্ধর্ষ গরুচোর ও বিভিন্ন ডাকাতি মামলার আসামি মোহাম্মদ রিপন ওরফে রিপন এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় আলোচিত দক্ষিণবঙ্গের ডাকাত সরদারনি মিসেস চান মিয়া অর্থাৎ ডাকাত সর্দার চানমিয়ার স্ত্রী বর্তমান পুলিশের সোর্স তারা আমাদেরকে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় জড়িয়েছে এর প্রতিবাদে আমার বড় ভাই ঢাকা থেকে এসে এলাকার লোকজনের সম্মুখে প্রকাশ্যে ঘোষণা করে ওরা যদি আমার ভাইয়ের প্রতি অন্যায় করে থাকে তাহলে আমার সাথে সবাই চলেন আমি বাজার থেকে ধরে আনব ডাকাতদের।
এরপর এলাকার লোকজন সহ বাজারে গিয়ে দেখে তারা তিনজন একসাথে আছে তাদেরকে দেখে দুইজন দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও একজনকে আটক করে নিয়ে আসে।
আসার পরে এলাকার লোকজনের সামনে তাদেরকে কয়েকটা চড় থাপ্পড় দিয়ে আলিসার মোড়ে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন।
আবার নিয়ে আসার পথে দেখে ওর কাছে অনেকগুলো ইয়াবা ট্যাবলেট আছে। তখন তাকে পুলিশে দেওয়ার জন্য বলে আমি কবির পুলিশকে ফোন দেই, উক্ত ঘটনা টের পেয়ে আমার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী ঘটনাস্থলে দৌড়ে আসে আমাদেরকে বলে ওকে পুলিশে দেওয়ার প্রয়োজন নেই ওকে ছেড়ে দাও আমি কালকে থানায় গিয়ে ওর বিরুদ্ধে কথা বলে আসবো ওর বিচার প্রশাসন করবে এর কিছুক্ষণ পরই এসআই মনির ঘটনাস্থলে আসে আমাদেরকে ডাক দিলে তার সাথে কথা বলি এরই ফাঁকে ডাকাত জলিল পালিয়ে যায় এবং কিছুক্ষণ পরেই থানায় অপহরণ মামলা করেন তার পরিবার।
এ বিষয়ে মানবাধিকারের পরিচালক মোঃ গোলাম রাব্বানীর কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের কাছে বলেন যে ব্যক্তি থানায় ফোন দিয়ে ডাকাতকে নিয়ে যেতে বলে সেই ব্যক্তি কি করে অপহরণ করে আমার জানা নেই তবে এটা তদন্ত সাপেক্ষে দেখব আমি। এ বিষয়ে বরগুনা ডিসি সাহেবের সাথে আমার কথা হয়েছে এ মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে।