নঈমুল আলমঃ খুলনা মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ওএমএস এর কার্যক্রমে চাল-আটা বিতরণে ভুক্তভোগীরা এবং ডিলারদের স্বচ্ছতা ও খাদ্য কর্মকর্তাদের নিয়মশৃঙ্খলা নিশ্চিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
খুলনা মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডে ১ টন চাল ও ১ টন আটা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রমের আওতায় প্রতিদিন প্রায় ২০০ জন নারী-পুরুষ ভুক্তভোগী জনপ্রতি ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা ক্রয় করতে পারছেন।
২৩ আগষ্ট (রবিবার) তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, মহানগর ওএমএস পয়ন্টের ভুক্তভোগী রঞ্জন , বাবুল , রফিক , সালাম , রোকসানা বেগম ও কাকলি খাতুন বলেন, বর্তমানে আরসি ফুড,ডিসিফুড এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত মনিটরিং কর্মকর্তা নিয়মিত ডিলার পয়েন্টের পরিদর্শন করছেন এবং আমাদের কাছে জানতে চাচ্ছেন ঠিকমতো চাল-আটা পাচ্ছি কিনা। এখন আমরা নির্ধারিত দামে ভালো মানের চাল-আটা কিনতে পারছি, এতে আমরা খুবই খুশি।”চালের গুণগত মান সম্পর্কে জানতে চাইলে ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমানে গুদাম থেকে সরবরাহকৃত চালের মান আগের তুলনায় অনেক ভালো।
মহানগরীর ওএমএস এর ডিলাররা জানান, পয়েন্টে একসঙ্গে ৩ থেকে ৪ শতাধিক ভুক্তভোগী উপস্থিত হলে সকলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ৩–৪ কেজি করে চাল ও আটা বিতরণ করা হয়।তথ্য অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, সব ডিলার পয়েন্টে ভুক্তভোগীরা চলমান বৃষ্টিকালিন মহুর্তে সুশৃঙ্খলভাবে দীর্ঘ সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে চাল ও আটা সংগ্রহ করছেন।
এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো: হাসান আল নাঈম বলেন,“মনিটরিং কর্মকর্তা ও প্রতিটি ওয়ার্ডের তদারকি কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া আছে—প্রতিদিন বরাদ্দকৃত দুই টন চাল-আটা বুঝে নিয়ে বিতরণ করার জন্য।