সবুজ খানঃ খুলনা প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করেছেন দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৩০ এপ্রিলের নির্বাচন ঘিরে খুলনা প্রেসক্লাবে প্রচারণা চলছিল। একদল দুর্বৃত্ত হঠাৎ করে প্রেসক্লাবে প্রবেশ করে সেখানে উপস্থিতসাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে।একপর্যায়ে কয়েকজন দুর্বৃত্ত সভাপতি প্রার্থী ও খুলনা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ারের নাম ধরে ডাকাডাকি ও গালাগাল করতে থাকে। এ সময় সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ও এখন টেলিভিশনের খুলনার বিশেষ প্রতিনিধি মো. তরিকুল ইসলামসহ কয়েকজন সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করা হয়।তরিকুল ইসলামের দাবি, প্রেসক্লাবে আসা দুর্বৃত্তদের কাছে ধারাণো অস্ত্র ছিলো। নির্বাচনকে বাঞ্চাল করার জন্য যারা চেষ্টা করছে তাদের প্রতিহত করা হবে।
হামলার পরপরই প্রেসক্লাবে অবস্থানরত সাংবাদিকরা প্রতিবাদে ফেটে পড়েন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন। পরে তারা সড়ক অবরোধ করে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এতে আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত। অবিলম্বে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।এ সময় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা ৩০ তারিখের ভোট না চায় তারা এই কাজ করছেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এবং এ ধরণের ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল দুপুর ১২ টায় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন পালন করা হবে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন বলেন, ৩০ এপ্রিল খুলনা প্রেসক্লাবের বার্ষিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে গেলো তার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। বহিরাগত সস্ত্রাসীরা একজন সভাপতি প্রার্থীর নাম ধরে খুঁজেছেন। তাদের ভাব দেখে ধারণা হচ্ছে তারা যদি ওই প্রার্থীকে সামনে পেতেন তাহলে তার প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা ছিল।
এক সাংবাদিক বলেন, প্রেসক্লাবে আসা সন্ত্রাসীদের মধ্যে ২জন চিনতে পেরেছি। তারা হলেন- খুলনা জেলা হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ১২১২ শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিপন ও প্রচার সম্পাদক শহিদুল