
স্থানীয়রা জানান, রেলওয়ের পূর্ব পার্কিং থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে এক দরিদ্র নারী প্রতিদিন তার ছোট্ট ভাত বিক্রির দোকান সাজিয়ে বসেন, যা তার একমাত্র জীবিকা। কিন্তু জিআরপি পুলিশ নানা অজুহাতে বারবার তাকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন।
অন্যদিকে, রেললাইনের গা ঘেঁষে বসা হকারদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে না কোনো পদক্ষেপ। অভিযোগ রয়েছে, যেসব দোকান জিআরপি সদস্যদের নিয়মিত ‘চাঁদা’ দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নেয় না রেল কর্তৃপক্ষ। বরং যেসব দোকান এই চাঁদা দিতে অপারগ, তাদেরই টার্গেট করা হচ্ছে উচ্ছেদের নামে।
এ বিষয়ে কয়েকজন নিরীহ দোকানদার বলেন, “আমরা তো রেল লাইনের ধারে না। প্রায় ২০০ গজ দূরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে গরিব মানুষের জন্য একটু খাবার বিক্রি করি। এতে কারও কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা না, কিন্তু আমাদেরও উচ্ছেদ করতে চায়। অথচ রেললাইনের ওপর যারা বসে আছে, তারা দিব্যি ব্যবসা করছে!”
রেলস্টেশনে ঘুরে দেখা গেছে, পূর্বের তুলনায় এখন পকেটমার, ছিনতাইকারী এবং মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়েছে অনেক বেশি। এই নিরাপত্তাহীনতার দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে, অসহায় গরিবদের উপর চড়াও হচ্ছেন কিছু অসাধু রেল কর্মকর্তা ও জিআরপি পুলিশ সদস্যরা।
এই চিত্রে হতবাক স্থানীয় যাত্রী ও পথচারীরা। তারা প্রশ্ন তুলেছেন— “প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে, কেন নিরীহ ও গরিব মানুষের পেটের দায়ে বসা ছোট ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হচ্ছে?”
স্থানীয়রা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য রেল মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।