
এইগুলো আমাদের আলোচনার বিষয় নয় । আমাদের আলোচনায় আনতে হবে সিলেটে রেল্লাইনে বাশ বেধে রেল সড়ক মেরামতের বিষয়টি গত টার্মে মন্ত্রীর জানা থাকলেও নতুন মন্ত্রী হিসেবে তার জানার কথা নয় । যারা তাকে এই সকল উলট-পালট কথা শিখিয়ে দিচ্ছে বলতে ; তারা তা সুকৌশলে তাকে বিতর্কিত করে সড়িয়ে দিতে চাইছে । কারণ জানা গ্রছে তিনি নিয়োগ বা রেলের টেন্ডার বানিজ্যের ক্ষেত্রে নতি স্বীকার করবেন না বলে জানিয়েছেন । ফলে রেলের একশ্রেনীর দূর্ণীতিবাজরা তাকে বেকায়দায় ফেলবে তা আর বলার অবকাশ রাখে না ।
রেলমন্ত্রীর উচিত হবে প্রজ্ঞাবান সেক্রেটারী ( পি-এস ) নিয়ে কাজ করা । যে মহাব্যবস্থাপক বা মহাপ্রকৌশলীর ফোকরের অবস্থান জানবেন । চাইলেই যা খুশি তাই বলাতে পারবেন না । কারণ এমন জনগুরুত্বপূর্ন মন্ত্রনালয়ে তার সততার সাথে বলিষ্ঠতাও প্রয়োজন । ফলে তাকে অবশ্যই যারা ব্যক্তিস্বার্থে ফাসিয়ে দিতে পারে বা বিপদে ফেলতে পারে এমনদের সরিয়ে দেওয়া বা এড়িয়ে চলাই শ্রেয় । কারণ রেলে যাত্রী বেশী হলে ব্রীজ ভেঙ্গে পরে বা বাশ দিয়ে স্লিপার বেধে ট্রেন চলছে তার দায়তো নেবে প্রকৌশলী এবং মেনেজম্যান্ট । মন্ত্রী তো সবে কয়েকমাস ধরে দ্বায়িত্ব পেয়েছেন । তিনি তো হয়ত এমন খোজ এখনো পাননি , তাই এই সকল শিশু সুলভ বুলি যে তোতাপাখিরা মন্ত্রীর মুখে তুলে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থায় আরো কঠোর হতে হবে তাকে ।