সিরাজদিখান উপজেলার শেখরনগর মৌজা নং-১২ দক্ষিণ হাটিতে ভূয়া পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি সৃজন করে জমি বিক্রি চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে সুভাষ চন্দ্র দে,সুমন চন্দ্র দে ও প্লাবন চন্দ্র দে পিতা,নারায়ণ চন্দ্র দে র বিরুদ্ধে।জানা যায়,সাবেক ১১১০ বাগান আর এস দাগ ১০৪৭ বাড়ী সাবেক খতিয়ান ১৩৪/১৫১ হাল খতিয়ান ৩৪১ পরিমাণ ৩২ শতাংশ সম্পত্তি পরিত্যক্ত অবস্থায় মূল মালিকগন ভারতে চলে যাওয়ায়,সরকার তিন টি পরিবার কে বসবাস করার অনুমতি দেন,এর মধ্যে দুটি পরিবার অন্যত্র চলে গেলেও আব্দুল রহমান শেখ দখলে রহেন।স্হানীয় প্রভাবশালী একটি ভূমি দস্যু চক্র নারায়ণ চন্দ্র দে ওরফে মাখন দে সহ আরও চারজনের নামে ১৯৬৩ ইং সনে মূল মালিকগনের ওয়ারিশ মনোরঞ্জন ঘোষ হতে একটি ভুয়া পাওয়ার অব অ্যার্টনী দলিল তৈরি করেন।৪ নং কেয়ারটেকার নারায়ণ চন্দ্র দে গোপনে চারজনকে বাদ দিয়ে তার শ্বশুর নরসিংদী বিরামপুরের নিবারন চন্দ্র দাসের নামে একটি দলিল সৃজন করার মাধ্যমে আরএস রেকর্ড করেন।
নিবারণ চন্দ্র দাসের কোন পুত্র সন্তান না ছিল না তার মৃত্যুর পর কন্যার ছেলেরা মৃত্যু সনদ নিয়ে নিজ নামে নামজারি করার মাধ্যমে ভোগদখলকারি রিফুজি আব্দুর রহমানের সন্তান হামেদ শেখ,খালেক শেখ ও জায়েদা কে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দিতে থাকে।এমতঅবস্থায় আব্দুর খালেক এলাকার গণ্যমান্যদের সাথে পরামর্শ করে মুন্সিগঞ্জ আদালতে বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।বিজ্ঞ আদালত আব্দুর খালেকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।নারায়ণ চন্দ্রের ওয়ারিশগণ উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করেন।
মামলা চলা অবস্থায় নারায়ণ চন্দ্রের ওয়ারিশ গং জমিটি এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিকট বিক্রি চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।অনুসন্ধানে জানা যায়,নারায়ণ চন্দ্র দে গং
শেখর নগর ইউনিয়ন পরিষদ হতে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট উত্তোলন করেন,বিষয় টি অবগত হওয়ার পর সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম প্রত্যয়ন পত্রের মাধ্যমে ওয়ারিশ সনদ টি বাতিল করেন।পুনরায় বর্তমান চেয়ারম্যান দেবব্রত সরকার টুটুল হতে ভুয়া ও ভূল তথ্য দিয়ে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করেন,বিষয় টি জানার পর টুটুল চেয়ারম্যান ওয়ারিশ সনদ টি বাতিল করার মাধ্যমে সহকারী কমিশনার ভূমি কে লিখিতভাবে তাদের জালিয়াতির বিষয় টি অবগত করেন।
তাদের করা পাওয়ার অফ অ্যাাটর্নিতে ১৬ টি জমির দাগ খতিয়ান উল্লেখ করা হয়।ভুয়া পাওয়ার অব এর্টনীর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিবারণ চন্দ্র দাসকে দলিল করে দেওয়া হয়।অন্য দিকে নারায়ণ চন্দ্র,নারায়ণ চন্দ্র দে ও মাখন দে তিনজন একই ব্যক্তি বলে জানা গেছে।