হাফিজুর রহমানঃ ঢাকা মহানগর উত্তর খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, ৪৩নং ওয়ার্ডের মস্তুল গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ বিল্লাল হোসেন শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালে ৪৩নং ওয়ার্ডের কাঠালদিয়া গ্রামে অবস্থিত দূর্গা মন্দির ও মা ধামাই মন্দির পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি মন্দিরের সার্বিক উন্নয়ন, এলাকা উন্নয়ন ও নাগরিক সমস্যার নানা দিক নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা করেন।
বিল্লাল হোসেন বলেন, “অবহেলিত এই কাঠালদিয়া এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় ভুগছে। এখানকার প্রধান সমস্যা হলো রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম নেই। এমনকি একটি কবরস্থান পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি এখনো।”
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, “কোনো শিশুর যেন আর্থিক কারণে পড়াশোনা বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে আমি কাজ করছি। পাশাপাশি কাঠালদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ভোটকেন্দ্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগও চলছে।”
বিল্লাল হোসেন আরও বলেন, “এই এলাকার মানুষ আন্তরিক। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়। মন্দিরগুলোর নিজস্ব জায়গায় বহু অসহায় পরিবার বসবাস করছে—এটি মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”
উল্লেখ্য, পূর্বে সাবেক ডুমনি ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত এবং বর্তমানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩নং ওয়ার্ডের কাঠালদিয়া এলাকায় প্রায় ২৩০টি পরিবারের বসবাস। রাজধানীর ভাটারা থানার অন্তর্ভুক্ত এই এলাকার অধিকাংশ পরিবারই সনাতন ধর্মাবলম্বী। এখানে রয়েছে দুটি মন্দির, একটি মসজিদ এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন—খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন, ৪৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, ৩নং ইউনিট সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ মিয়া, ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, কাঠালদিয়া পূজা মন্দিরের সভাপতি-সম্পাদকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠান শেষে মানবিক উদ্যোগ হিসেবে হিন্দু ধর্মাবলম্বী দুই পরিবারের মাঝে বিল্লাল হোসেন নিজস্ব অর্থায়নে একটি মোটরসাইকেল ও একটি ফ্রিজ উপহার প্রদান করেন।
তিনি বলেন,
“আমরা জিয়ার সৈনিক — শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের অধিকার ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছি। আগামীতেও কাঠালদিয়াবাসীর কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”